ভূত
A
0
Altın Yaprak
চোখ মুখ নাক কান সবই ছিল
হাত পা দুটো নাড়াচ্ছিল বেশ মানে সজীব জিন্দা জীবিত
শুঁয়োপোকা গুঁটি গুঁটি কাছে গেলাম তাকালাম
ভেবেছিলাম কিছু বলবো হবে বুদবুদ কথোপকথন
মনের ভেতরে যে আগুন তা থেকে যে উৎপন্ন হীরা
তা দিয়ে তার মধ্যে আলোর ফলাবো প্রতিফলন
আমার আগুঙ্কে দ্বিগুণ করে তার স্থিমিত ইস্প্রিহায় জ্বালাবো আগুন
কিন্তু সে জ্বলবে কি সে তো হিম পাথর কাঠ
আমার হীরা দেখে তার চোখ চড়কগাছ স্থির পাহাড়
গালফুলে তাল পিঠা ডালপুরি
মুখফুলে লাউ বাতাবি লেবু
দৃষ্টি নির্বাক তাতে ভাব আমার অর্জন ফ্লুক বা অযোগ্য পাত্রে অমুল্যদান
এবার আমি সিক্কা উচ্ছলিয়ে উল্টে দিয়ে পাল্টে দিলাম
তুলে ধরলাম দেখালাম দগদগে পোড়া লাল জবা ঘা
আঙুলের কড়ে গুনে গুনে বুঝালাম কোথায় কিভাবে খেয়েছি ছেঁকা
কোন পাথরের কোণে কোন শিমুলের কাঁটায় খেয়েছি ঘষা
কোন খনন কত গভীর ছিল কোন খনিতে কত ছিল ঝুকি
কোন চড়াইতে কত ছিল বিপদ কোন উৎরাইতে ছিল আপদ
কিন্তু আপদে বিপদে সে কি শিখবে করবে হা হু
সে তো নিরেট জমাট তার শক্ত চোয়াল শীল ঠোঁট
শুধু ফেলে রেখেছে প্রভাব ফেলেফেলে
তাতে ফুটিয়ে তুলেছে এক ভাব আমার এইরকমেই হবার কথা ছিল
বরং আমি বেঁচে গেছি আমার হাড়ে জল ধরার কথা ছিল
ফুসফুসে ধরার কথা ছিল পচন, হয় নি বেঁচে গেছি
এবার দু চার পা এগিয়ে গেলাম বদলে দিলাম কথার ধরণ
আমার মরণ হয়তো নয় এইদুনিয়ায় কোন ক্ষতি
আমি বেঁচে আছি কেননা আমি তাঁকে বাঁচার মত বাঁচিয়ে রাখতে চাই
কিন্তু এ কথাটি তাঁকে বলা হয়ে ওঠেনি
ও বলার আগেই মিলিয়ে গেল, ও ছিল সমাজ, ও ছিল ভূত ।
Bu şiiri puanla
Henüz puan verilmemiş