৪২০ (Amal)
A
0
Altın Yaprak
চোখে সূর্যের জ্যোতি ছড়িয়ে
উদ্ধত বুকের মেয়েটি
কোথায় যেন অদৃশ্য হয়ে গেলো।
ঠেলাওয়ালা
ঠেলা গাড়ির ঠেলা মেরে
বিদ্রুপের সুরে বললো-
দাদা, সকালেই ঠুকে এসেছেন?
কোন জগতে আছেন?
গাঁজা?
অথবা স্বপ্ন দেখছেন?
"হাওড়া হাওড়া হাওড়া"
তাকালাম।
নাহঃ হাওড়া আমার গন্তব্য নয়।
কোথায় যেন যাচ্ছি আমি?
স্মৃতির সরণী বেয়ে
আমার ঠোঁটের কোনে হাসি ফুটিয়ে
উদ্ধত বুকের মেয়েটি
কোথায় যেন অদৃশ্য হয়ে গেলো।
বিঁড়ি আছে অমল দা?
লাইটার?
তাও আছে?
বাহঃ বাহঃ
এই না হলে অমলদা!
নিজে বিঁড়ি খায় না
কিন্তু বিঁড়ি নিয়ে ঘুড়ে বেড়ায়।"
অনন্ত কাল ধরে
মানুষের ফুসফুসে ক্যান্সার ছড়াতে ছড়াতে
কোথায় যেন যাচ্ছি আমি?
শুঁকে দেখি
বাতাসে মৃত্যুর গন্ধ।
ওহে ধর্ম দেবতা
যন্ত্রণাকাতর অর্দ্ধমৃত মানুষকে
চিরশান্তির পথ দেখানো কতখানি পাপ?
খুনীরা বেশি পাপী?
অথবা ডাক্তার?
চিরশান্তি যারা দেয়
তারা বেশি দয়াময় নয় কি?
প্লেটো, এরিস্টটল, আইনস্টাইন
শুনছো তোমরা?
অর্দ্ধমৃত মানুষকে চিরশান্তির পথ দেখানো
বেশি পাপ?
অথবা যন্ত্রণাকাতর মানুষকে
যন্ত্রণাময় জীবনে ফিরিয়ে দেওয়া
বেশি পাপ?
পৃথিবী ছাড়া
পৃথিবীর আর যা কিছু
সবই কেমন ৪২০।
সভ্যরা বেশি ভ্রষ্টাচারী
অথচ মাতালরা দুর্নাম কুড়ায়।
ভদ্দরলোক খুন করে পূজা পায়
অথচ বটু মাতাল খুন করলে
শূলে চড়ে।
ভাবছি
মানুষের একটা যথাযোগ্য
নাম রাখবো আমি।
৪২০?
হৃদয়ে চাঁপার সুগন্ধ ছড়িয়ে
উদ্ধত বুকের মেয়েটি
কোথায় যেন অদৃশ্য হয়ে গেলো।
আচ্ছা
কোথায় যেন যাচ্ছি আমি?
© অরুণ মাজী
Bu şiiri puanla
Henüz puan verilmemiş