আনন্দধারা বহিছে ভুবনে
A
0
Altın Yaprak
রাস্তার উপর ফেলে, নির্মম ভাবে
গর্ভবতী বৌকে পিটিয়ে মারছে
মাতাল এক মরদ।
ঠোঁটের কোণে হাসি হেসে
দেখছে কৌতূহলী বিপ্লবী জনতা।
আহাঃ আনন্দধারা বহিছে ভুবনে।
রাত পেরিয়ে সকাল হলো
অথচ জগাই তবু ঘরে ফেরে নি।
কোথায় জগাই কোথায় জগাই?
রাস্তার উপর দেহ, তো মুন্ড ধানক্ষেতে।
কিসের সাজা তরতাজা এই যুবকের?
সবুজ বাংলার স্বপ্নে বিভোর জগাই
রাজার অত্যাচার মেনে নেয় নি।
আহাঃ আনন্দধারা বহিছে ভুবনে।
স্কুলের শেষে, নাচতে নাচতে
বাড়ি ফিরছে এক দুগ্ধপোষ্য শিশু।
হৃদয়ে উন্মাদনা তার- বাড়ি ফিরেই
মায়ের কোলে ঝাঁপিয়ে পড়বে সে।
অথচ হটাৎই
রক্তে ভেসে চিরতরে লুটিয়ে পড়লো সে।
কিসের সাজা এই দুগ্ধপোষ্য শিশুর?
সে বাংলার শিশু রিয়াজুল মোল্লা।
আহাঃ আনন্দধারা বহিছে ভুবনে।
রাজার মুখে রক্ত, তো সান্ত্রীর হাতে অস্ত্র।
আইনের হাত বাঁধা, তো প্রশাসন রাজভক্ত।
ধর্ষিত নারী, তো অত্যাচারিত দুর্বল দরিদ্র্য।
অথচ কাগজ? বিদ্বজ্জন? মানুষ?
মূত্রভোজে তুষ্ট তারা, চেতনা তাদের নাই।
গাও পেন্তীর মা গাও
আহাঃ আনন্দধারা বহিছে ভুবনে।
© অরুণ মাজী
Bu şiiri puanla
Henüz puan verilmemiş