কে কত বড় নপুংসক? (On Courage)
A
0
Altın Yaprak
মায়াবী মিথ্যার কোলে শুয়ে, মানুষ রগড়ে রগড়ে যন্ত্রণা পাবে। তবু প্রাকৃতিক সত্যকে সে গ্রহণ করবে না।
এজন্যই চাঁড়ালকে চাঁড়াল বললে, চাঁড়ালও রাগে চণ্ডাল হয়ে উঠে।
নপুংসককে নপংসক বললে, নপুংসকও সিংহের মতো তর্জন গর্জন শুরু করে।
অরুণ মাজী কিশোর কুমারের মতো গাইতে চাইলে, তা কিকিশোর কুমারের মতো শোনাবে? কক্ষনো না। অরুণ মাজীর আওয়াজ- ফাটা বাঁশের আর্তনাদের মতো শোনাবে। চরিত্রে যারা বিষ্ঠাভোজী কৃমি, তারা যদি সিংহের মতো তর্জন গর্জন করে, সেই গর্জন কিসের মতো শোনাবে? পাতি হাঁসের প্যাঁক প্যাঁক, অথবা রামছাগলের খ্যাঁক খ্যাঁক?
সত্যটা কি? সত্যটা হলো- আমিও নপুংসক, তুমিও নপুংসক। আমরা নপুংসক বলেই- আমাদের রাজা নপুংসক, কবিবর নপুংসক, উপাচার্য্য নপুংসক, কাগজের মালিক নপুংসক, শিল্পী নপুংসক। আমরা সবশালা নপুংসক। আমাদের অন্ডকোষে অন্ড নেই, পৌরুষে পৌরুষত্ব নেই।
কথাটা শুনতে, আপাদমস্তক ঠিক কতটা জ্বলছে আমার? খাঁ খাঁ করে জ্বলছে। কেন? ঐ যে বললাম-চাঁড়ালকে চাঁড়াল বললে, চাঁড়ালও রাগে চণ্ডাল হয়ে উঠে।
বাঙালী আগে বীরপুরুষ ছিলো। তাই তাদের মধ্যে- সুভাষ বসু ছিলেন, স্বামীজী ছিলেন, বিদ্যাসাগর ছিলেন, মাতঙ্গিনী হাজরা ছিলেন, ক্ষুদিরাম ছিলেন, কবিগুরু-নজরুল ছিলেন।
আজকে কি হচ্ছে? বঙ্গের রাজা, বন্দুকের গুলি দিয়ে "ডি লিট" অর্জন করে আজ মহিয়সী সাজতে চাইছে। আর তাতে সঙ্গত করছে কে? শতাব্দী প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়ের, নপুংসক "গভর্নিং কাউন্সিল"। বঙ্গের রাজা যদি রাস্তার ভিখারীর চেয়ে আরো বেশি ভিখারী, তাহলে সাধারণ বাঙালীর কলিজা কত বড়? কৃমির বুকে যে সাহস আছে, সেই সাহসও কি বাঙালীর বুকে আছে আজ? নাহঃ নেই। কৃমি অপেক্ষা বেশি ইতর আমরা।
বাঙালী যখন- সুভাষ বসু, বিবেকানন্দ ইত্যাদির জন্ম জয়ন্তী পালন করে, সেগুলোকে আমার ভয়ঙ্কর ফাজলামি মনে হয়। কেন জানো? আমার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ এই যে, "কৃমি আমি, সারাজীবন কৃমিই থাকতে চাই"। তবুও আমি সুভাষ বসুকে বুকের মধ্যে ঝুলিয়ে ঘুরবো। এজন্য ইচ্ছে হয়, হারামজাদা অরুণ মাজীর আন্ডারপ্যান্টে, তখুনি কাঁকড়া বিছে ছেড়ে দিই আমি!
© অরুণ মাজী
Bu şiiri puanla
Henüz puan verilmemiş