বনসাই
A
0
Altın Yaprak
ওটা কেঠো না কেদারা
তার উপরে বসে সেটা মানুষ না বনসাই
যার তিন ভাগের দুই ভাগ দেখা যাচ্ছে
আর পাঁচ ভাগের তিন ভাগ নাই
গেল তো, কোথায় গেল?
শান্ত শিষ্ট নরম স্নিগ্ধ কি করে তাঁকে কোথায় পাই?
দুধ দিয়ে ধুয়ে দি পা তবু সে গরম
মুখে দি মধু ফোঁটা ফোঁটা তবু সে রয়ে যায় উগ্র চরম
ভাব্বার দিন এসেছে
উপরে তাকাই তো দেখি কালো মেঘ লেগেছে
কী করা যায় কি করে কাটানো যায় এ গ্রহণ?
নিয়ে আসা যাক দাগী খোসা যুক্ত মাণিক কলা
দেওয়া হোক জ্বালিয়ে ধুনো, করিয়ে দেওয়া যাক গোলাব দিয়ে স্নান
যেমন প্ল্যান তেমন কাজ
তবু সে ছুঁড়ছে হাত পা
তবু সে করছে বার বড় বড় রক্ত চক্ষু, গলা উঁচিয়ে পাড়ছে গালি ভীষণ
সর্বদা খিটমিট সবার সাথে মতের গরমিল
কী হল তার? কোথায় খুঁজি? কি করে বার করি কারণ?
এবার আমার পালা আমি এখন শুধু ছুটছি
অস্থিরতা পেয়ে বসেছে আমায় ছুৎ কথায় দেখছি আমি রেগে যাচ্ছি
এ মহা রোগ
কিছু না করে উঠতে পারার রোগ, বিফলতার বেরাম
তার জীবাণু আর আমার জীবাণু এক
সে যে রোগে আক্রান্ত আমিও সেই রোগে রুগী
হাত পা থাকতেও আজ পর্যন্ত কিছুই করে উঠতে পারিনি
দুই কাঁধের মধ্যে যে একটি মাথা ছিল সেটি কাজে লাগাতে পারলাম কই!
মাথার নিচে যে সরু গলা ছিল সেটিরও সঠিক ব্যবহার নেই
জন্মের সারমর্ম কি শুধু দূষণ ছড়ানো?
পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করা কাজ অক্সিজেন পোড়ানো?
আজ আমি নিজেই নিজের উপর উচ্ছের মত তিক্ত
এক লোক পাঁচ ভাগে বিভক্ত
পাঁচ ভাগের এক ভাগ দৃশ্যমান চার ভাগ নেই
কেননা পৃথিবীর ছাদে বসানো হয়েছে এক টাব
টাবের উপরে বসে যে ব্যাক্তি সেটি আমি কেননা আমিই তো বনসাই ।
Bu şiiri puanla
Henüz puan verilmemiş