আধখানা আপেলের গল্প (Amal)
A
0
Altın Yaprak
ঈশ্বর যখন-
আর সবাইকে পৃথিবীতে পাঠাচ্ছিলেন
সেখানে হ্যাংলার মতো দাঁড়িয়েছিলাম আমি।
তো ঈশ্বর বললেন-
'কিরে, তুইও যাবি? '
সম্মতিসূচক
ঘাড় নাড়লাম আমি।
ঈশ্বর হাসলেন। বললেন-
'বেশ, তবে যা।'
এ জন্য ঈশ্বরের কাছে
কৃতজ্ঞতার অন্ত নেই আমার।
কেউ যদি আমাকে
একটা আধখাওয়া আপেল দেয়
তো আনন্দের শেষ নেই আমার।
সেটাকে শূন্যে ছুঁড়ে দিয়ে
আনন্দে লুফালুফি খেলতে থাকি আমি।
সেটাকে জিব দিয়ে চেটে
আহাঃ আহাঃ বলে চীৎকার করি আমি।
তারপর সেটাকে হাতে নিয়ে
চোঁ চোঁ করে দৌড় দিই আমি।
দৌড়ানোর সময়
পকেট ছুঁয়ে বারবার সেটা দেখতে থাকি আমি।
আপেলটা আমার
ঠিক আছে তো!
বাড়িতে ফিরে,
আবার আমি দেখি সেই আপেলটা।
আহাঃ কি নরম
কি সুন্দর শাসালো!
ঈশ্বরের প্রতি কৃতজ্ঞতায়
চোখে জল আসে আমার।
ফাও পাওয়া জীবনে
সবই পাওয়া।
আধ-খানাও পাওয়া
সিকি-খানাও পাওয়া।
আমার তাই কোন দুঃখ নেই।
যন্ত্রণা নেই।
মাঝে মাঝে
হয়তো একটু অভিমান হয়।
ভাবি, আধখানা আপেল?
কিন্তু পরক্ষণেই ভাবি-
আধখানা হলেও,
সেটা আপেল তো।
চোখে একটু জল মেখে নিই
বুকটা একটু চাপড়ে দিই।
আর বলি-
'ওরে হতচ্ছাড়া
থেমে গেলে তোর চলবে?
ঈশ্বর তোকে
এত ভালোবেসে পাঠিয়েছেন।
তাকে তুই ইজ্জৎ দিবি নে? '
চোখদুটো জ্বলে উঠে আমার।
ঈশ্বরকে প্রণাম করি আমি।
© অরুণ মাজী
Bu şiiri puanla
Henüz puan verilmemiş