একবিন্দু ভালোবাসা এক পৃথিবী শূণ্যতা
A
0
Altın Yaprak
কতটুকুই বা ভালোবাসি তোমায়?
নখের কোণে যতটুকু ধরে
ততটুকু।
কে জানে? হয়তো বা তারও কম।
হয়তো বা তার চেয়েও
অনেক অনেক কম।
এতটুকু ভালোবাসাকে ভালোবাসা বলে না।
তাই না?
ভালোবাসা যদি দেখতে হয়
তা হলো শ্রীযুক্ত চাঁদের!
শীত গ্রীষ্ম বর্ষা
ঝড় ঝঞ্ঝা বাদলা
কোন কিছুতেই সে
রাতের স্পর্শ ছাড়ে না।
অথচ আমার?
আমার ভালোবাসা একবিন্দু শিশির।
ক্ষুধার্ত ধরিত্রীর বুকে ঝরলেই
মুহূর্তে মিলিয়ে যায়।
এতটুকু ভালোবাসাকে ভালোবাসা বলে না।
তাই না?
তবে হ্যাঁ, তোমাকে না দেখলে
বুকটা কেমন ধুকপুক করে
হৃদয়টা কেমন চিনচিন করে।
মনটা কেমন ছটফট করে।
তখন গোধূলিকে, গোধূলি লাগে না
ফুলকে ফুল লাগে না
দিনকে দিন লাগে না।
তখন সবই কেমন-
ছায়া ছায়া আঁধার
আর একরাশ বিষন্নতা।
অথচ এমন তো হওয়ার কথা নয়।
তুমিই বলো
একবিন্দু ভালোবাসাতে কি
এক পৃথিবী শূণ্যতা সম্ভব?
জানো? কেন জানি না
তোমাকে একটু না দেখলে
মনে হয়
পৃথিবীতে পৃথিবী নেই
আকাশে আকাশ নেই
সূর্যে সূর্য নেই
কোন কিছুতে কোন কিছু নেই।
আচ্ছা
তুমি কি আমার চোখ?
কেন তবে তুমি আবির্ভূত হলেই
আবার আমি সব কিছু দেখি?
সূর্য তখন হেসে উঠে
পাখিরা সব গেয়ে উঠে
নদী তখন নেচে উঠে।
তুমিই বলো
একবিন্দু ভালোবাসাতে
এক পৃথিবী শূণ্যতা সম্ভব?
না গো না
ভালো তোমাকে বাসি না।
কেবল একটু চিনচিনে ব্যথা।
মা দূর্গার দিব্যি দিয়ে বলতে পারি
ভালোবাসা তাকে বলে না।
তাই না?
© অরুণ মাজী
Bu şiiri puanla
Henüz puan verilmemiş